Home » » টিউশন যারা করছেন বা করবেন ভাবছেন তাদের জন্য কিছু বিশেষ তরিকা

টিউশন যারা করছেন বা করবেন ভাবছেন তাদের জন্য কিছু বিশেষ তরিকা

Written By Masum on Jul 9, 2013 | 10:11 AM

আগে একটু আজাইরা ভূমিকা দিয়ে নিই ।
যদি কোন জরিপ করা হয় তাহলে আমাদের শিক্ষক-ছাত্রের সংখ্যা কাছাকাছি হতে পারে । অনার্স-মাষ্টার্স লিভেলে যত ছাত্র অলমোষ্ট সবাই কোন না কোন ভাবে শিক্ষক । এতে করে তারা যেমন আর্থিক ভাবে নিজের সচ্ছল থাকছে , পকেট খরচর জন্য পর মুখাপেক্ষী হতে হয় না তেমনি একটি বিশেষ অংশ জ্ঞান লাভের সুযোগ পাচ্ছে সহজেই । । তবে টিউশন করে ভোগান্তিতে পড়তে হয় অনেক সময় । তন্মোধ্যে নিজের ব্যক্তিসত্তা ও সামাজিক অবস্থান অনেক সময় দুর্বল হয়ে যায় ।
তাই টিউশন করার সময় বেশকিছু ব্যাপারে সচেতন হওয়া উচিত । নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে কিছু অবশ্য পালনীয় ও লক্ষণীয় বিষয় তুলে ধরছি , মিলিয়ে নিন আপনি কোন কোন বিষয়ে ভোগন্তিতে পড়েছেন আর এখনো না পড়লে এগুলো ভবিষ্যের জন্য তরিকা ।
১। টিউশনে জয়িন করার আগে সম্মানির বিষয়ে নিশ্চিত হউন । নিজের যোগ্যতা অনুসারে প্রাপ্য না মিললে না পড়ানো ভাল কারণ এতে করে আপনার আন্তরিকতার অভাব ঘটতে পারে । বিশেষ প্রয়োজনে বিষয়টি শিথিল যোগ্য ।
২। পারদপক্ষে নিকট আত্নীয় ও ঘনিষ্ট জনের ছেলে-মেয়ে,ভাই-বোন না পড়ানো ভাল । এতে উভয়পক্ষ অসন্তুষ্টতায় ভূগতে পারে ।( টাকা না দিলে কিছু বলতেও পারবেন না )
৩। টিউশন করতে গেলে আগেই বলে রাখুন আপনাকে কিছু খেতে না দিতে । অনেক অবিভাবক শিক্ষকদের খাইয়ে অনধিকার চর্চা করে । তারা অনেকে মামার বাড়ির কিছু আবদার নিয়ে আসে । তবে নিষেধ করার পরও নাস্তা সামনে আনলে ফরমালিটি মেইনটেইন করুন ।
৪।বেতন বকেয়ার ক্ষেত্রে প্রথম মাস ধৈর্য্য ধরুন কিন্তু দ্বিতীয় মাসে সরাসরি কৌশলে বলে দিন ।:
৫।মেয়ে স্টুডেণ্ট পড়ানোর ক্ষেত্রে পারসোনাল রুম ব্যবহার করবেন না । ড্রয়িং রুম কিংবা উন্মোক্ত চলাচলের সুবিধা আছে এমন রুম ব্যবহার করুন । নিজেও নিরাপদ থাকুন এবং ছাত্রীকে ও নিরাপদ রাখুন ।
৬। অষ্টম-দশম শ্রেণী মেয়েদের সাথে ব্যবহারের সময় শিক্ষক সুলভ আচরন বজায় রাখুন । এই বয়সীরা খুব ইমোশনাল হয় । একটু উনিশ বিশ আপনাকে প্রেম ঘটিত বিষয়ে বিপদে ফেলতে পারে । এছাড়া এই বয়সের ছাত্রীরা ভাইয়া ডাকতে চাইল প্রশ্রয় দিবেন না । ( দিলে আপনার মতলব সাংঘাতিক )
৭।অনেককে দেখা যায় ছেলেদের মারধর করে পড়ায় । আমি বিষয়টিকে মোটেও সমর্থন করি না । তবে বেশী আদর করেও পড়াতে বলছি না।
৮।স্টুডেন্টের সামনে অবিভাবক বা অতিথি উপস্তিত থাকলে একটু নার্ভাস লাগলে না পড়িয়ে পড়া লিখতে দিন ।
৯। ঘড়ি ধরে পড়াবেন না । আপনি যে সম্মানি নিচ্ছেন তা ঐ অবিভাবকের কষ্টের টাকা তাই উপকারের চেষ্টায় ব্যস্ত থাকুন । বর্তমানে অনেক অবিভাবকে মুখে শুনেছি ভার্সিটির ছেলে দিন গুনে টাকা নেয় পড়ায় না ।
১০। অনেক গুলো টিউশনি করবেন না । এতে আপনার নিজের পড়াশুনার এবং ব্যক্তিগত জীবন ও স্বাধীনতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে । মনে রাখবেন টিউশনের মাধ্যমে ইনস্ট্যান্ট কিছু অর্থ পাবেন এবং কিছুটা বেসিক জ্ঞান সঞ্চয় হবে , এর ভবিষ্যত কোন সার্টিফিকেট কিংবা দীর্ঘমেয়াদী সুফল নেই ।


Share this article :

Post a Comment